অপপ্রচারের ঝড়েও অটল আস্থা—জনকল্যাণে কাজ করা গোলাম সাকলায়েনের পাশে দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষ


বার্তা বিভাগ প্রকাশের সময় : জুলাই ৬, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ /
অপপ্রচারের ঝড়েও অটল আস্থা—জনকল্যাণে কাজ করা গোলাম সাকলায়েনের পাশে দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষ

রবিউল ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো: রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম সাকলায়েনকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি এডিটেড (সম্পাদিত) ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক গোলাম সাকলায়েন দাবি করেন, ভিডিওটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পাদনা করে তাঁর বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। মূলত রাজনৈতিকভাবে তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন ও তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, দলের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ছড়ানো ভিডিওটির প্রকৃত সত্য সবার সামনে উম্মোচনের লক্ষ্যে প্রয়োজনে তিনি বিএনপির ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের লিখিত আবেদন জানাবেন।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হলেও, স্থানীয় বাসিন্দা ও তাঁর সমর্থকদের দাবি—প্রকৃত প্রেক্ষাপট যাচাই না করেই একটি মহল নেতিবাচক প্রচারণায় মেতে উঠেছে। এটি মূলত একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে হেয় করার অপচেষ্টা মাত্র।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, গোলাম সাকলায়েন দীর্ঘদিন ধরে দুর্গাপুরে সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং স্থানীয় অবকাঠামোগত অগ্রগতিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন সৎ, শিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

বিশেষ করে, ৪ নং দেলুয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে ৫ বছর দায়িত্ব পালনকালে তাঁর সততা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সরকারি চাল বিতরণের সময় তালিকার বাইরে থাকা অসহায় মানুষদের তিনি নিজের পকেটের টাকা দিয়ে চাল কিনে দিয়েছেন—এমন বহু নজির রয়েছে। ক্ষমতার চেয়ারকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার না করে যিনি জনকল্যাণে বিলিয়ে দিয়েছেন, তিনি নিজ গ্রামসহ পুরো উপজেলার তরুণ সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, আসন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে গোলাম সাকলায়েনের নাম বেশ জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাঁর এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একটি পক্ষ এই বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছে।

এদিকে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিডিওটির সময়, প্রেক্ষাপট ও সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা জানিয়েছেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তদন্ত সাপেক্ষে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গোলাম সাকলায়েনের শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় তরুণদের দাবি, খণ্ডিত বা সম্পাদিত কোনো ভিডিও দিয়ে একজন মানুষের দীর্ঘদিনের সামাজিক অবদানকে বিচার করা যায় না। একজন তরুণ রাজনৈতিক কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আগামী দিনের নেতৃত্বে স্বচ্ছ ও মানবিক গুণের কারণে গোলাম সাকলায়েন ভাই জনপ্রিয়তার শীর্ষে। আর ঠিক এই কারণেই তাঁকে নিয়ে এমন অপপ্রচার চালানো অত্যন্ত দুঃখজনক।”

শুভাকাঙ্ক্ষীরা অবিলম্বে এই ভিত্তিহীন অপপ্রচার বন্ধের জোর দাবি জানিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে, সমস্ত ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জনগণের সেবায় গোলাম সাকলায়েনের ধারাবাহিক ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষ।

দুর্গাপুরের সাধারন জনতা আরও বলেন, শত অপপ্রচারের ঝড়েও আমাদের অটল আস্থা ক্ষুন্ন হবেনা। জনকল্যাণে কাজ করা গোলাম সাকলায়েন ভাইয়ের পাশে আমরা আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ্‌।