গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
মহাকাশে প্রথমবার আইফোন ব্যবহার করছেন নাসার নভোচারীরা
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের দাপট: রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে কৃষি ও কৃষককে ধ্বংসের পাঁয়তারা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: আসন্ন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের করণীয় বিষয়ে গাজীপুর মহানগরে আলোচনা সভা

“সাংবাদিকরা আমাদের এলাকার খবর করে না। এ জন্য আমি ভিডিও করি। আমি বোকাসোকা মানুষ, আমার ভুল হতেই পারে। আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রোল করেন, এতে আমার কষ্ট নেই। আমি শুধু চাই আমাদের চরের মানুষের উন্নয়ন হোক।” —কথাগুলো বলছিলেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম (৩০)।
সম্প্রতি জিলাপির দাম নিয়ে তৈরি করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর আলোচনায় উঠে এসেছেন এই যুবক। তবে তার এই ভিডিও নির্মাণের পেছনে রয়েছে এলাকার বঞ্চনার কথা তুলে ধরার এক অদম্য ইচ্ছা। পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারী তাইজুল জানান, তিনি কোনো সাংবাদিক নন, কেবল শখের বশেই এসব ভিডিও তৈরি করেন।
তাইজুল ইসলাম কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের উত্তর ঢাকডহর সরকারপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় তাইজুল জীবিকার তাগিদে ঢাকায় কাজ করেন। নিজের অসুস্থ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী বাবা-মায়ের সেবার পাশাপাশি পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই তিনি ভিডিও করা শুরু করেন।
ভিডিওতে তাকে স্থানীয় একটি দোকানে গিয়ে জিলাপি বিক্রির ‘সরকারি রেট’ নিয়ে অতি সাধারণ ও সরল ভাষায় প্রশ্ন করতে দেখা যায়। তার এই উপস্থাপনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। একদল মানুষ তার এই সরলতাকে ইতিবাচকভাবে নিলেও, কেউ কেউ তাকে নিয়ে বিদ্রূপ বা ‘ট্রোল’ করছেন। তবে এসবে বিচলিত নন তাইজুল।
স্থানীয় নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তাইজুলের বাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের পাশেই। তবে তার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়টি তিনি লোকমুখে শুনেছেন।
চরের বঞ্চিত মানুষের কথা গণমাধ্যমে উঠে আসে না বলেই সাধারণ একজন শ্রমজীবী মানুষের এই ‘কন্টেন্ট ক্রিয়েটর’ হয়ে ওঠা এখন নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :