কমিশন নেই, নড়ছে না হাসিনা পরিবারের দুর্নীতির ফাইল
নওগাঁর নিয়ামতপুরে মধ্যরাতে মাদকবিরোধী অভিযান: ৮০০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২
রাজশাহীতে র্যাবের অভিযান: ২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
স্বপ্ন কেড়ে নিল চোর: দুর্গাপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তুহিনের স্কুলে যাওয়ার একমাত্র ‘পা’ চুরি
চারঘাটে লিগ্যাল এইড কমিটির দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
দাওকান্দি কলেজের সেই নারী ‘শিক্ষিকা’ নন, প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ: বরখাস্তের নির্দেশ
কৃষিকে বাণিজ্যিক ও লাভজনক করতে দুর্গাপুরে কৃষি অফিসার সাহানা পারভীনের নেতৃত্বে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
মাড়িয়ায় নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে ইসলামী জলসা: শিল্পপতি সাকলায়েনের অনুদান
গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প থেকে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার (প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা) লোপাটের অভিযোগের অনুসন্ধান থমকে গেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ওঠা এই মেগা দুর্নীতির অভিযোগের ১৬ মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) বর্তমানে কোনো ‘কমিশন’ না থাকায় এই স্পর্শকাতর ফাইলগুলোর নড়াচড়া প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
দুদক সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে রূপপুর প্রকল্পের ব্যয় কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে বিশাল অংকের অর্থ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন ব্যাংকে পাচারের যে তথ্য উঠে এসেছে, তার দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহে বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বিদেশ থেকে তথ্য আনার জন্য পাঠানো মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট (এমএলআর)-এর জবাব পেতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুদকের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো।
দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, কমিশন ছাড়া দুদক আইনে নির্ধারিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে নতুন কোনো অনুসন্ধান বা মামলার অনুমোদন দেওয়া যাচ্ছে না। কমিশন থাকার সময় যেসব অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল, সেগুলোও এখন অত্যন্ত সীমিত পরিসরে চলছে। ফলে রূপপুর প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ মেগা দুর্নীতির ফাইলগুলো এখন এক প্রকার স্থবির হয়ে পড়ে আছে।
এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এই ধীরগতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, “প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করা মানেই দুর্নীতির সুযোগ করে দেওয়া। বর্তমান সরকারের উচিত এই মেগা লুটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা।”
উল্লেখ্য, ১২.৬৫ বিলিয়ন ডলারের রূপপুর প্রকল্পের মাধ্যমে শেখ হাসিনা পরিবারের ৫ বিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগে পুরো জাতি এখন বিশাল এক ঋণের বোঝার মুখে। অথচ এই দুর্নীতির তদন্তের ধীরগতি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
—
**কিওয়ার্ড:** রূপপুর প্রকল্প দুর্নীতি, দুদক, শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, টিউলিপ সিদ্দিক, অর্থ পাচার, দুর্নীতি দমন কমিশন।
**হ্যাশট্যাগ:** #RooppurCorruption #ACC #SheikhHasina #SajeebWazed #TulipSiddiq #BangladeshNews #CorruptionInvestigation #MoneyLaundering
আপনার মতামত লিখুন :