গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দলের নেতার সংবাদ সম্মেলন
পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

চলছে রমজান মাস। মহান আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক মুমিন বান্দাকে রমজান মাসে ফরজ রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এই রোজা পালন করার বেশকিছু নিয়ম ও বিধান রয়েছে- যা জানা জরুরি।
এই রমজানে রোজা পালনে অনেক ছোট বিষয় আছে যে সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় রোজা ভঙ্গ হতে পারে বা মাকরুহ হয়ে যেতে পারে। এরমধ্যে অন্যতম রোজা রেখে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা। যা অনেকেই রোজা রেখে সকালে ঘুম থেকে উঠে করে থাকেন। এবার জেনে নেয়া যাক টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে রোজা ঠিক থাকে না ভেঙে যায়?
ইসলামি গবেষকরা বলেছেন, টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলে রোজা ভাঙে না। কারণ, টুথপেস্ট তো কেউ খায় না। তবে ব্রাশ করার সময় সতর্ক থাকতে হবে যে পেস্ট পেটে চলে না যায়। কেউ কেউ আবার বলেন, টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করলে রোজা মকরুহ হয়ে যায়।
কিন্তু ভেঙে যায়- এমন কথা কেউ বলেননি।
রমজান মাসে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে যা নিষেধ, তা না করার চেষ্টা করতে হবে। যেন তিনি খুশি হন। মাকরুহ হলেও আমাদের রমজান মাসে রোজা রেখে টুথপেস্ট বা দাঁতের মাজন দিয়ে দাঁত না মাজার চর্চা করতে হবে।
তবে সবচেয়ে ভালো হয়, সাহ্রি খাওয়ার পর পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা, আবার ইফতারের পরও দাঁত ব্রাশ করা যায়। আর দিনের বেলা মিসওয়াকও ব্যবহার করা ভালো।
রাসুল (সা.) মিসওয়াক ব্যবহার করতেন। তাই মিসওয়াক করা সুন্নত। হাদিসে আছে, মিসওয়াক করে নামাজ পড়লে তা উত্তম। রাসুল (সা.) প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে মিসওয়াক করতেন।
সুনানে আবু দাউদে যায়েদ বিন খালেদ আলজুহানী (রা.) বরাতে এক হাদিসে তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি—আমার উম্মতের জন্য কষ্টের আশঙ্কা না হলে তাদের ওপর মিসওয়াককে প্রতি নামাজের জন্য ফরজ করে দিতাম।’
আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে ভালো রাখুন, সুস্থ রাখুন। মাহে রমজানের সিয়াম সুন্দরভাবে ও পরিপূর্ণ করে পালন করার তৌফিক দান করুন।
জেড/বা
আপনার মতামত লিখুন :