জমি বিক্রিতে মূল্য গোপন, রাজস্ব ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ
বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
মাড়িয়ায় নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে ইসলামী জলসা: শিল্পপতি সাকলায়েনের অনুদান
গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দলের নেতার সংবাদ সম্মেলন
পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’

যে সব শিশু তাদের বেশির ভাগ সময়ে পোষ্যদের সঙ্গে কাটিয়েছে, তারা অন্যান্য শিশুর তুলনায় খাবার থেকে অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় কম আক্রান্ত হয়েছে।
বাড়ির শিশুদের আশপাশে আসতে দেওয়া হয় না পোষ্যদের। কারণ, অনেকেই মনে করেন, এই পোষ্যদের থেকেই শিশুদের মধ্যে নানা রকম রোগ ছড়ায়। কিন্তু হালের গবেষণা কিন্তু অন্য কথাই বলছে। সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সব শিশু তাদের বেশির ভাগ সময় পোষ্যদের সঙ্গে কাটিয়েছে, তারা অন্য শিশুদের তুলনায় খাবার থেকে অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় কম আক্রান্ত হয়েছে।
জাপানের প্রায় ৬৫ হাজারেরও বেশি শিশুর উপর করা সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যাদের বাড়িতে কুকুর বা বিড়ালের মতো পোষ্য রয়েছে বা যারা ওই পোষ্যদের সঙ্গে খোলামেলা ভাবে বেড়ে উঠতে পারছে, তাদের মধ্যে খাবার থেকে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ কমে গিয়েছে। গবেষকদের মধ্যে এক জন বলেন, “পোষ্যের সংস্পর্শে এই ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা অনেকটাই ঠেকিয়ে রাখা যায়।”
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সব শিশু বিড়ালের সংস্পর্শে তাদের ছোটবেলা কাটিয়েছে, তাদের ডিম, সয়াবিন এবং গম থেকে তৈরি খাবার খেয়ে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। আবার শিশুদের ডিম, দুধ এবং বাদাম থেকে অ্যালার্জি হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দিতে পারে বাড়িতে থাকা পোষ্য কুকুর। যদিও পাখি কিংবা কচ্ছপের সঙ্গে এই সংক্রান্ত অ্যালার্জির কোনও সম্পর্ক নেই।
গবেষকদের মতে, খাবারের সঙ্গে পোষ্যের সরাসরি কোনও যোগ আছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তর গবেষণা প্রয়োজন। তবে পোষ্যেরা পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভাবে শিশুদের অন্ত্রের কার্যক্ষমতাকে শক্তিশালী করে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। অন্ত্রে থাকা মাইক্রোবায়োম ব্যাক্টেরিয়াগুলি শিশুদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। যার ফলে অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভোগার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।
আপঅ
আপনার মতামত লিখুন :