গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দলের নেতার সংবাদ সম্মেলন
পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

ভারতের উত্তর প্রদেশের বারাণসীতে পবিত্র গঙ্গা নদীতে নৌকায় বসে ইফতার করার সময় মাংসের হাড় ও উচ্ছিষ্ট জলে ফেলার অভিযোগে ১৪ জন মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৬ মার্চ) বারাণসীর কোতয়ালি থানায় দায়ের করা একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় একদল যুবক গঙ্গার বুকে নৌকায় বসে বিরিয়ানি দিয়ে ইফতার সারছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তারা খাওয়ার পর মাংসের হাড় ও অন্যান্য উচ্ছিষ্ট সরাসরি গঙ্গার পবিত্র জলে নিক্ষেপ করছেন। এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
বারাণসী ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) নগর সভাপতি রজত জয়সওয়াল এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার দাবি, বিন্দু মাধব ধরহারা মন্দিরের সামনে অত্যন্ত আপত্তিকরভাবে এই আমিষ ভোজন করা হয়েছে, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে।
বারাণসী পুলিশ কমিশনারেটের অ্যাসিস্টেন্ট পুলিশ কমিশনার (এসিপি) বিজয় প্রতাপ সিং সংবাদমাধ্যমকে জানান, “একটি ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে আমরা অভিযোগ পাই যে, কিছু ব্যক্তি পবিত্র গঙ্গার জলে নৌকায় বসে বিরিয়ানি খাচ্ছিলেন এবং হাড় ফেলছিলেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তের জন্য একাধিক টিম গঠন করা হয়। এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের খোঁজ চলছে।”
ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর আওতায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা, ধর্মীয় স্থলের অবমাননা, উপদ্রব সৃষ্টি এবং সরকারি আদেশ অমান্যের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে, ১৯৭৪ সালের জল (দূষণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ) আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে, যা নদীতে ক্ষতিকর বা দূষণকারী পদার্থ ফেলা নিষিদ্ধ করে।
বারাণসীর আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদের যুগ্ম সম্পাদক এস এম ইয়াসিন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন যে, ইসলামে ইফতার কোনো পিকনিক নয় এবং এটি একটি ধর্মীয় কাজ। তবে তিনি অভিযোগ করেছেন যে, বিষয়টিকে কেন্দ্র করে মুসলিম যুবকদের অহেতুক শোষণ ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই বড় মাপের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে বারাণসী পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং গঙ্গার ঘাটে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :