গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
মহাকাশে প্রথমবার আইফোন ব্যবহার করছেন নাসার নভোচারীরা
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের দাপট: রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে কৃষি ও কৃষককে ধ্বংসের পাঁয়তারা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: আসন্ন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের করণীয় বিষয়ে গাজীপুর মহানগরে আলোচনা সভা

আসন্ন ঈদুল ফিতরের পরপরই প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবন হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা। গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, যমুনায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে এবং এরপরই তিনি সেখানে নিয়মিত অবস্থান করবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী এই ভবনে দুই দফায় ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, যেখানে দেশি-বিদেশি কয়েকশ বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিক গণভবনকে স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর থাকার আর কোনো সুযোগ নেই। ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর গঠিত সরকারের প্রধানের জন্য বিকল্প হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকায় বাসভবন খোঁজা হয়েছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা বিবেচনায় শেষ পর্যন্ত যমুনাকেই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে যাতায়াত করে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস পরিচালনা করছেন। দীর্ঘ পথ ও যানজটের কারণে এই যাতায়াতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। যমুনা থেকে কার্যালয় এবং সচিবালয়—উভয় স্থানের দূরত্ব অত্যন্ত কম হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজে গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে যমুনা ভবনকে পুরোপুরি প্রস্তুত করছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছন্নতা, হাইজেনিক ওয়াশ এবং রঙের কাজ চলছে। সিলিংয়ের পুরনো অংশ মেরামতসহ ছোটখাটো সংস্কার কাজগুলোও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অংশ হিসেবে সম্পন্ন করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :