মাড়িয়ায় নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে ইসলামী জলসা: শিল্পপতি সাকলায়েনের অনুদান
গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দলের নেতার সংবাদ সম্মেলন
পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার

রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা খেলার মাঠে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে নবনির্মিত একটি ‘শিশু কর্ণার’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও অংশীজন সভার মাধ্যমে এটি শিশুদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শিশুদের বিনোদনের জন্য মাঠের একাংশে বাস্কেটবল পোল ও রোপ ক্লাইম্বারসহ আধুনিক সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে।
হেলথ ব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডা ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডাব্লিউবিবি) ট্রাস্টের উদ্যোগে এবং তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা কমিটি ও এলাকাবাসীর সক্রিয় সহযোগিতায় এই শিশু কর্ণারটি বাস্তবায়ন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা ঢাকা শহরে ক্রমহ্রাসমান পার্ক ও খেলার মাঠ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা জানান, ঢাকা শহরে প্রতিনিয়ত উন্মুক্ত গণপরিসর দখলের শিকার হচ্ছে। শিশুদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার জন্য মাঠ ও পার্ক সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। এলাকাবাসীর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই তেঁতুলতলা মাঠটি একসময় দখলের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
বর্তমানে মাঠটি বহুমুখী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। একদিকে কিশোর ও যুবকেরা এখানে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলছে, অন্যদিকে জানাজা ও নামাজসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানও এখানে সম্পন্ন হয়। যুবকদের খেলার পর্যাপ্ত জায়গা রেখেই এই বিশেষ শিশু কর্ণারটি সাজানো হয়েছে।
ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা মো. মিঠুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংস্থাটির পরিচালক গাউস পিয়ারী এবং মাঠ রক্ষা আন্দোলনের অগ্রপথিক সমাজকর্মী সৈয়দা রত্না। বক্তারা বলেন, “প্রতিটি এলাকায় অব্যবহৃত বা স্বল্প ব্যবহৃত ছোট ছোট জায়গাগুলোতেও যদি এমন শিশু কর্ণার তৈরি করা যায়, তবে তা শিশুদের মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একইসাথে দখল হওয়া মাঠ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কঠোর হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, বিপুল সংখ্যক শিশু-কিশোর এবং ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ভবিষ্যতে আর কোনো উন্মুক্ত স্থান যেন দখলের কবলে না পড়ে, সে বিষয়ে এলাকাবাসীকে সজাগ থাকার এবং কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
আপনার মতামত লিখুন :