পুঠিয়া-দুর্গাপুরে ধানের শীষের গণজোয়ার
এই দেশে আর বিভাজনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: রাজশাহীতে জামাতে আমির
কলম ছেড়ে প্রকৃতির কোলে: ‘রাজশাহীর আলো’র আনন্দঘন বনভোজন সম্পন্ন
জলবায়ু ও মানবিক দায়বদ্ধতায় স্থাপত্যের ভূমিকার কথা বললেন কাশেফ চৌধুরী
রাজশাহী-৫: নজরুল ইসলামের পক্ষে মাঠে নেমেছেন কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা গোলাম মোস্তফা
রাজশাহী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বার্ষিক মিলনমেলা ও বনভোজন রবিবার
রাজশাহী-৫ আসনে মনজুর রহমানের গণসংযোগে ভোটের মাঠে নতুন গতি
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজের ঘোষণা: রাজশাহীতে তারেক রহমান
পুঠিয়ায় ৩ মৃত্যু: ঘাতক বাস চালক ও গুজব ছড়ানো মূল হোতা গ্রেপ্তার
উৎসবমুখর পরিবেশে ও যথাযোগ্য মর্যাদায় বৃহত্তর টঙ্গী প্রেস ক্লাবের ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

রবিউল ইসলামঃ রাজশাহীর দুর্গাপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে ২২টি সুফলভোগী পরিবারের মাঝে ৪৪টি উন্নত জাতের ছাগল এবং খামারি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে হাসপাতাল চত্বরে এই বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এসব উপকরণ প্রদান করা হয়, যার মূল লক্ষ্য হলো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে আত্মনির্ভরশীলতা তৈরি করা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা: জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনীসহ প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিটি পরিবারকে এক জোড়া করে মোট ৪৪ টি উন্নত জাতের ছাগল দেওয়া হয়। শুধু ছাগলই নয়, এগুলোর সুষ্ঠু লালন-পালনের জন্য প্রদান করা হয়েছে ছাগল পালনের উপযোগী বিশেষ গৃহ নির্মাণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য খামারি সরঞ্জাম।
সরকারের এই উদ্যোগ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা: জান্নাতুল ফেরদৌস তার বক্তব্যে বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে অংশীদার হতে পারা আমাদের জন্য বড় সাফল্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা কেবল উপকরণ দিচ্ছি না, বরং একটি পরিবারের আয়ের পথ তৈরি করে দিচ্ছি। উন্নয়নের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :