ফরিদপুরে হ্যান্ড মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজালেন যুবলীগ কর্মী
চাঁদা না দেয়ায় স্ত্রীর সামনেই স্বামী গণেশ পালকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা
বাংলাদেশে তেলের কোনো সংকট নেই: কৃষিমন্ত্রী
ইমাম নিয়োগ নিয়ে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত এক
নড়াইলে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ২০
রাজধানীতে ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ উপজেলা ফোরামের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ: রাষ্ট্রপতি
মুজিব নামে টয়লেট! বিদেশ থেকে এলো ছাত্রলীগের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ লড়তে চায় না’ বলে সাবেক মেরিন সেনার চিৎকার
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ ফোন ‘সিরিন ফিনি’

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধের জেরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বাঁকা গ্রামে এই সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউপি সদস্য জিরু কাজীর সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার মোল্যার দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, শুক্রবার দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে আক্তার মোল্যার লোকজন মসজিদের ভেতরে ঢুকে জিরু কাজীর অনুসারীদের মারধর করে। এরই জেরে শনিবার সকালে উভয় পক্ষ ঢাল-সড়কি, রামদা ও লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
আহতদের অবস্থা সংঘর্ষে গুরুতর আহত ইউপি সদস্য জিরু কাজীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া লুৎফুন নাহার, রেখা বেগম, লিটন মিয়া, হিমায়েত হোসেন, ফিরোজ মোল্যা, মুসা মোল্যা, শরিফুল ইসলামসহ অন্তত ১৪ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে, যাদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জিরু কাজী অভিযোগ করেন, বর্তমানে আক্তার মোল্যার লোকজন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে আক্তার মোল্যা পাল্টা দাবি করেন, দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন জিরু কাজীর অত্যাচারে তিনি জেল খেটেছেন ও এলাকাছাড়া ছিলেন। বর্তমানে জিরু কাজীর লোকজন এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার প্রতিবাদ করায় এই সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশের পদক্ষেপ লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :