ফরিদপুরে হ্যান্ড মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজালেন যুবলীগ কর্মী
চাঁদা না দেয়ায় স্ত্রীর সামনেই স্বামী গণেশ পালকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা
বাংলাদেশে তেলের কোনো সংকট নেই: কৃষিমন্ত্রী
ইমাম নিয়োগ নিয়ে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, নিহত এক
নড়াইলে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ২০
রাজধানীতে ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ উপজেলা ফোরামের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ: রাষ্ট্রপতি
মুজিব নামে টয়লেট! বিদেশ থেকে এলো ছাত্রলীগের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ লড়তে চায় না’ বলে সাবেক মেরিন সেনার চিৎকার
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ ফোন ‘সিরিন ফিনি’

ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের সময় ইসরায়েলের অন্যতম শক্তিশালী এবং অত্যাধুনিক ‘হার্মিস ৯০০’ ড্রোন সফলভাবে নামিয়ে আনার দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসি-র এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাদের উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটিকে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর আগেই মাঝ আকাশে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় এবং কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সেটিকে মাটিতে নামাতে সক্ষম হয়েছে তাদের কারিগরি দল।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ড্রোনটি যখন জব্দ করা হয়, তখন এটি সম্পূর্ণ সশস্ত্র এবং সক্রিয় অবস্থায় ছিল। বর্তমানে এটি আইআরজিসি-র মহাকাশ গবেষণা ইউনিটের হেফাজতে রয়েছে। ড্রোনটির ভেতরে থাকা উন্নত প্রযুক্তি, সেন্সর এবং গোয়েন্দা সরঞ্জামগুলো বিশ্লেষণের জন্য ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের একটি দল কাজ শুরু করেছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ইসফাহান, তাবরিজ এবং আরও কয়েকটি প্রদেশে মোট ছয়টি উন্নত ‘হার্মিস’ ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগ। যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫টি শত্রু ড্রোন ভূপাতিত করার তথ্যও প্রদান করেছে আইআরজিসি।
ইসরায়েলের এলবিট সিস্টেমস (Elbit Systems)-এর তৈরি এই ড্রোনটি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নজরদারি ও হামলাকারী সরঞ্জাম হিসেবে পরিচিত। এর প্রধান কিছু বৈশিষ্ট্য হলো: এটি টানা ৩০ থেকে ৩৬ ঘণ্টা আকাশে অবস্থান করে মিশন পরিচালনা করতে পারে। এতে রয়েছে বিশেষ ইনফ্রারেড ক্যামেরা ও ‘সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার’ (SAR), যা মেঘ কিংবা ধোঁয়ার আড়ালেও মাটির নিখুঁত ছবি তুলতে সক্ষম। এটি শত্রুদেশের রাডার ফাঁকি দেওয়া এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য বিশেষ ইলেকট্রনিক্স সেন্সরে সজ্জিত।
বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোনটি যদি সত্যিই অক্ষত অবস্থায় ইরানের হস্তগত হয়ে থাকে, তবে এটি ইসরায়েলি সামরিক প্রযুক্তির জন্য একটি বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ ইরান অতীতেও জব্দ করা বিদেশি ড্রোনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজস্ব ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ ড্রোন তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে।
সূত্র: আল-মায়াদিন, প্রেস টিভি এবং ইয়েমেন প্রেস এজেন্সি।
আপনার মতামত লিখুন :