রবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ লড়তে চায় না’ বলে সাবেক মেরিন সেনার চিৎকার

‘ইসরায়েলের হয়ে কেউ লড়তে চায় না’ বলে সাবেক মেরিন সেনার চিৎকার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় :

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে সিনেটের এক শুনানিতে গত বুধবার নজিরবিহীন হট্টগোল ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তার বিরোধিতা করে এক সাবেক মার্কিন মেরিন সেনা সদস্য চিৎকার করে প্রতিবাদ জানালে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় পুলিশের সাথে ধ্বস্তাধ্বস্তিতে ওই প্রতিবাদকারী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার সিনেট আর্মড সার্ভিসেস সাবকমিটির শুনানিতে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের সদস্যরা সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে উত্তর ক্যারোলিনার সিনেট নির্বাচনে গ্রিন পার্টির প্রার্থী এবং সাবেক মেরিন ভেটেরান ব্রায়ান ম্যাকগিনিস দাঁড়িয়ে চিৎকার করে বলতে থাকেন, “কেউ ইসরায়েলের হয়ে লড়াই করতে চায় না!”

গাজায় ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে তার এই আকস্মিক চিৎকারে শুনানিতে বিঘ্ন ঘটে এবং কক্ষজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ক্যাপিটল পুলিশ এবং মন্টানার রিপাবলিকান সিনেটর টিম শিহি ম্যাকগিনিসকে জোরপূর্বক ঘর থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ম্যাকগিনিস দরজার ফ্রেম আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করলে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার ডান হাতটি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

ভিডিওতে কাউকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, “ওর হাত! ওর হাত দেখুন!” পরে ম্যাকগিনিসকে তার হাতের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি যন্ত্রণাকাতর কণ্ঠে বলেন, “না, আমার হাত ঠিক নেই।” এমনকি ঘরের ভেতর থেকে কেউ একজন অভিযোগ করেন যে, একজন মার্কিন সিনেটর একজন সাবেক মেরিন সেনার হাত ভেঙে দিয়েছেন।

ঘটনার পর সিনেটর টিম শিহি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (X) নিজের অবস্থানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন। তিনি বলেন, “এই ভদ্রলোক ক্যাপিটলে একটি সংঘর্ষের উদ্দেশ্য নিয়েই এসেছিলেন। আমি পুলিশকে একজন অপ্রতিরোধ্য প্রতিবাদকারীর সাথে ধস্তাধস্তি করতে দেখে পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়তা করেছি মাত্র।”

অন্যদিকে, ক্যাপিটল পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ম্যাকগিনিসকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার সময় তিনি কর্মকর্তাদের ওপর সহিংস হয়ে উঠেছিলেন। তবে একজন যুদ্ধাহত প্রবীণ সৈনিকের (Veteran) সাথে এমন আচরণ নিয়ে ইতোমধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

Copyright © 2022 Star News Agency. All rights reserved.