রবিবার, ৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - বসন্তকাল || ১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ইরানি ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, দিনে ব্যয় হচ্ছে ১০০ কোটি ডলার

ইরানি ড্রোন ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, দিনে ব্যয় হচ্ছে ১০০ কোটি ডলার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় :

ইরানের হাজার হাজার আত্মঘাতী ড্রোনের ‘ঝাঁক’ মোকাবিলা করা মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের সামনে এই উদ্বেগের কথা জানান মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। তিনি জানান, মার্কিন বাহিনীর ড্রোন ধ্বংসের সক্ষমতা থাকলেও একসঙ্গে ধেয়ে আসা সব ড্রোন ঠেকানো সম্ভব নয়।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তারা কেবল আকাশপথে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানোর বদলে সরাসরি উৎক্ষেপণস্থলগুলো ধ্বংস করার দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম কয়েক দিন প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার ব্যয় হলেও বর্তমানে তা কমে দিনে ১০০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে। প্রশাসন দাবি করেছে, প্যাট্রিয়ট ও থাড ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র নিঃশেষ করার ইরানি কৌশল সফল হচ্ছে না।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ সীমাহীন এবং তারা অনির্দিষ্টকাল এই লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে। তবে তিনি স্বীকার করেন, উচ্চপর্যায়ের আধুনিক সমরাস্ত্রের মজুদ যতটা থাকা দরকার, বর্তমানে ততটা নেই।

বুধবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানান, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তিনি বলেন, আগের বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনকে অতিরিক্ত অস্ত্র দিয়ে মার্কিন মজুদে যে টান ফেলেছিল, ট্রাম্প মূলত তারই সমালোচনা করেছেন। লেভিট আরও দাবি করেন, বিশ্বের বিভিন্ন গোপন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের এমন সমরাস্ত্রের মজুদ রয়েছে যা অনেকেরই অজানা।

Copyright © 2022 Star News Agency. All rights reserved.