প্রকাশের সময় :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় ৪০ জন নেতাকে হত্যার একদিন পরই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান নতুন নেতৃত্ব মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং তিনিও এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এক আকস্মিক ও ভয়াবহ যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং প্রশাসনের আরও ৪০ জন শীর্ষ নেতা নিহত হন। এই নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডের পর তেহরান দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করে। গত রোববার (১ মার্চ) প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘আটলান্টিক ম্যাগাজিন’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তারা (ইরানের নতুন নেতৃত্ব) আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়। আমি রাজি হয়েছি। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলব।”
ইরানি নেতৃত্বের সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, “তাদের এই পদক্ষেপ আরও আগেই নেওয়া উচিত ছিল। যে বিষয়গুলো অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং সমাধান করা সহজ ছিল, তা তারা অনেক দেরি করে ফেলেছে।” তবে এই আলোচনা কবে বা কোথায় শুরু হবে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।
উল্লেখ্য যে, গত মাসেও মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে তিন দফা আলোচনা করেছিলেন ইরানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সর্বশেষ শুক্রবারও উভয় পক্ষ আলোচনায় বসেছিল এবং আগামী শুক্রবার পরবর্তী বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই নির্ধারিত বৈঠকের আগেই ইসরায়েলকে সাথে নিয়ে ইরানে এই বিধ্বংসী হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলা ও পরবর্তী আলোচনা এখন মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন মোড় নিয়ে এসেছে।