আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করল বিএফআইইউ
‘আপনি কার সঙ্গে কথা বলেন জানেন’ হুমকি পাওয়া সেই ডিসিকে বদলি
মারা গেল গলাকাটা অবস্থায় জঙ্গলে হাঁটতে থাকা সেই শিশুটি
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ইরানের হামলা, নিখোঁজ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী!
ইরানি নৌবাহিনীর ৯ জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের
খামেনিকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: শাহবাজ
আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে ১৪৪৪ লিটার টিসিবির তেল জব্দ
জাহাজ থেকে গম নামানোর সময় ক্রেনের তার ছিঁড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান ট্রাম্প
উইন্ডিজকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ভারত

পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা আর ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পটুয়াখালীর বাউফল থানার ৮ নং মদনপুরা ইউনিয়নে শুরু হয়েছে এক ব্যতিক্রমী মানবিক কার্যক্রম। যেসব শিশুর মাথার ওপর বাবা কিংবা মায়ের ছায়া নেই, সেইসব এতিম শিশুদের ঈদ আনন্দ রাঙিয়ে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন ছাত্রদল নেতা ইমন মাতুব্বর।
সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে “হাসবো মোরা সবাই মিলে” স্লোগানকে সামনে রেখে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো অসহায় ও এতিম শিশুদের খুঁজে বের করে তাদের দোরগোড়ায় ইফতার ও ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া। যাতে বাবা-মা না থাকার শূন্যতা তারা অন্তত এই আনন্দের দিনে কিছুটা হলেও ভুলে থাকতে পারে।
এই মানবিক মহৎ কর্মযজ্ঞে সার্বিক সহযোগিতা ও সংহতি জানিয়েছেন একঝাঁক তরুণ ও মানবিক ব্যক্তিত্ব। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার নিয়াজ হোসেন খান, রুমান সিকদার, হিমেল হাওলাদার, রবিউল ইসলাম, এমদাদুল হক অলি, লিমন মৃধা, বাইত উদ্দিনসহ স্থানীয় মানবিক সমাজ।
বর্তমানে মদনপুরা ইউনিয়নের প্রকৃত এতিম শিশুদের তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। কোনো প্রচার বা লোক দেখানো আয়োজন নয়, বরং উপহার হিসেবে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী সরাসরি শিশুদের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
উদ্যোক্তা ইমন মাতুব্বর জানান, “আমাদের আশেপাশে এমন অনেক শিশু আছে যারা বাবা-মা হারিয়ে আজ বড় অসহায়। ঈদের আনন্দ যেন তাদের কাছে বিষাদ না হয়, সেই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা থেকেই আমাদের এই আয়োজন। আমি বিনীত অনুরোধ করছি, আপনাদের পরিচিত এমন কোনো শিশু থাকলে আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন।”
আপনার আশেপাশে বাবা-মা নেই এমন কোনো এতিম শিশুর সন্ধান থাকলে সরাসরি যোগাযোগ করুন:
📞 ০১৯৩৫-৮৫৫৬৬৬ (ইমন মাতুব্বর)
তরুণ প্রজন্মের এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। এলাকাবাসী মনে করছেন, সমাজের সামর্থ্যবানরা এভাবে এগিয়ে এলে কোনো শিশুই আর উৎসবের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হবে না।
আপনার মতামত লিখুন :