মেয়র পদে লড়বেন এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ
সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতেই দোকানে ক্যারাম ও টিভি খেলা বন্ধের নির্দেশ
কোন মসজিদে বিরিয়ানি দিচ্ছে জানাবে ‘বিরিয়ানি দিবে’ অ্যাপ
হাতকড়া পরা অবস্থায় মায়ের জানাজায় দুই ভাই, দুজনই আওয়ামী লীগ নেতা
বাংলাকে ধারণ করতে হলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী টুকু
পাকিস্তানে পালিত হল মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
বগুড়ায় এনসিপি নেতা সাগর গ্রেফতার: অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে ছয় জন আটক
মার্কিন রণতরী ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরাল

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানার পাটিকাবাড়ি এলাকায় পবিত্র রমজান মাসে চা দোকানে ক্যারাম খেলা ও টেলিভিশন দেখা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। গত শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) পাটিকাবাড়ি ক্যাম্পের ইনচার্জ মসিউল আজম স্থানীয় একটি বাজারে গিয়ে প্রকাশ্যে এই ঘোষণা দেন। চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো, পুলিশ কর্মকর্তা যখন এই কড়া নির্দেশনা দিচ্ছিলেন, তখন সেখানে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজাও উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তা মসিউল আজম এক চা দোকানির দিকে আঙুল উঁচিয়ে ধমকের সুরে বলছেন, “আমি তারাবির এক মাস কোনো ক্যারম বা টিভি চলবে না বলে গিয়েছিলাম, তাও কেন চলছে?” এরপর তিনি দ্রুত ক্যারাম বোর্ডের দিকে এগিয়ে যান। পাশে থাকা সংসদ সদস্য আমির হামজা এ সময় সুর মিলিয়ে বলেন, রমজান ইবাদতের মাস, তাই নামাজের সময় যেন এসব বিনোদনমূলক কাজ না করা হয়। এই নির্দেশনার পরদিন থেকে ওই এলাকার বাজারগুলোতে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে; বেশিরভাগ চায়ের দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হয় বন্ধ রাখা হয়েছে, না হয় অর্ধেক শাটার নামিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে।
তবে এই নির্দেশনার বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চপর্যায় থেকে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জসিম উদ্দিন স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পুলিশ বিভাগ থেকে এমন কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। তিনি বিষয়টিকে আইন-কানুনের চেয়ে মানুষের ব্যক্তিগত অনুভূতির বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে, ইবি থানার ওসিও জানিয়েছেন যে দোকানিদের বিষয়ে এমন কোনো নির্দেশনা ছিল না। এ ঘটনায় স্থানীয়রা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন; কেউ কেউ ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষার কথা বললেও অনেকে পুলিশের এমন আচরণকে ‘অতি-উৎসাহী’ ও সাধারণ মানুষের বিনোদনের অধিকারে হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :