বাংলাকে ধারণ করতে হলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না: জ্বালানিমন্ত্রী টুকু
পাকিস্তানে পালিত হল মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
বগুড়ায় এনসিপি নেতা সাগর গ্রেফতার: অর্থ আত্মসাৎ ও চাঁদাবাজির মামলায় কারাগারে
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে ছয় জন আটক
মার্কিন রণতরী ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি খামেনির: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা
‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পোস্ট ভাইরাল
ভারতবিরোধী অবস্থান, পুলিশ পুড়িয়ে হত্যায় অভিযুক্ত মাহদীকে আশ্রয় দিল না ভারত
টঙ্গীতে মাতৃভাষা দিবস পালন—শহীদ বেদিতে সর্বস্তরের মানুষের ফুলেল শ্রদ্ধা
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা না পেয়ে ডাবসহ ভ্যান ছিনতাইয়ের অভিযোগ
শহীদ মিনারে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে এমপি রুমিন ফারহানা

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। তথ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, দিবসটি উপলক্ষে হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কালোব্যাজ ধারণ করেন এবং জাতীয় পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধনমিত রাখা হয়। শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যে দূতালয় প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়, যেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান মিশনের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিশুদের সঙ্গে নিয়ে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি পরিবেশন করেন। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ সম্মেলনের সভাপতি খোন্দকার এম তালহার একটি ভিডিও বার্তা প্রদর্শন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, ভিডিওচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, বিশেষ মোনাজাত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষন হিসেবে দূতালয় প্রাঙ্গণ ব্যানার, বাংলা বর্ণমালা ও ভাষা দিবসের পোস্টারে সজ্জিত করা হয়েছিল।
হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান তার সমাপনী বক্তৃতায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে শহিদদের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। হাইকমিশনার তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনের ভিত রচিত হয়েছিল।
আপনার মতামত লিখুন :