গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
মহাকাশে প্রথমবার আইফোন ব্যবহার করছেন নাসার নভোচারীরা
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের দাপট: রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে কৃষি ও কৃষককে ধ্বংসের পাঁয়তারা
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: আসন্ন সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের করণীয় বিষয়ে গাজীপুর মহানগরে আলোচনা সভা

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর সেই প্রতিটি উৎসবে বিরিয়ানি যেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষ করে রমজান মাসে ইফতারের পাতে এক প্লেট গরম বিরিয়ানি বা তেহারি বাঙালির কাছে পরম তৃপ্তির। সারাবছর রেস্টুরেন্টে ভিড় থাকলেও রোজার সময় সবার আলাদা নজর থাকে মসজিদের বিরিয়ানির দিকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে চলে নানা রসিকতা ও মিম। তবে এবার সেই রসিকতাকে বাস্তবে রূপ দিয়ে এক অভিনব অ্যাপ তৈরি করেছেন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী।
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (IUBAT)-এর কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের প্রিন্স তৈরি করেছেন ‘বিরিয়ানি দিবে’ নামের একটি অ্যাপ ও ওয়েবসাইট। রোজার শুরুতেই এই অ্যাপটি নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মূলত কোথায় ইফতারে বিরিয়ানি দেওয়া হচ্ছে, তা সহজে খুঁজে পেতেই এই উদ্যোগ।
এই অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মূল আকর্ষণ হলো এর লাইভ লোকেশন ফিচার। ব্যবহারকারীরা এখানে লগ-ইন করে তথ্য যুক্ত করতে পারেন যে, আজ কোন মসজিদে বা কোন এলাকায় বিরিয়ানি বিতরণ করা হচ্ছে। ফলে অন্যান্য ব্যবহারকারীরা ম্যাপ দেখে সহজেই সেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। প্রযুক্তির মাধ্যমে বিরিয়ানি খোঁজার এই সহজ সমাধান ইতোমধ্যেই তরুণ প্রজন্মের মাঝে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
অ্যাপটির নির্মাতা জুবায়ের গণমাধ্যমকে জানান, এটি মূলত একটি ‘ফান প্রজেক্ট’ হিসেবে শুরু করেছিলেন। তিনি বলেন, “এটি আসলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার একটি মাধ্যম। যে কেউ চাইলে এখানে ভিজিট করে বিরিয়ানি বিতরণের তথ্য দিতে পারেন বা খাওয়ার সুযোগ নিতে পারেন।”
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুবায়েরের এই সৃজনশীল আইডিয়া নিয়ে চলছে ইতিবাচক আলোচনা। অনেকেই বলছেন, প্রযুক্তির এমন ব্যবহার যেমন মজার, তেমনি তথ্য শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রেও এটি একটি দারুণ উদাহরণ।
আপনার মতামত লিখুন :