পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’
সেনানিবাসে আশ্রয় থেকে হত্যা মামলার আসামি, পতন হলো শিরীন শারমিনের
বিশ্ববাজারে ১২ শতাংশ তেল উধাও, ব্যারেল প্রতি মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১৫০ ডলার
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এস এ গ্রুপের শতকোটি টাকার মামলার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
মহাকাশে প্রথমবার আইফোন ব্যবহার করছেন নাসার নভোচারীরা
গোদাগাড়ীতে নাবিল গ্রুপের দাপট: রাতের আঁধারে বর্জ্য ফেলে কৃষি ও কৃষককে ধ্বংসের পাঁয়তারা

রবিউল ইসলামঃ রাজশাহীর দুর্গাপুরে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর। এরই অংশ হিসেবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকালে ২২টি সুফলভোগী পরিবারের মাঝে ৪৪টি উন্নত জাতের ছাগল এবং খামারি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে হাসপাতাল চত্বরে এই বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় এসব উপকরণ প্রদান করা হয়, যার মূল লক্ষ্য হলো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে আত্মনির্ভরশীলতা তৈরি করা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা: জান্নাতুল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাশতুরা আমিনা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাহানা পারভীন লাবনীসহ প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রতিটি পরিবারকে এক জোড়া করে মোট ৪৪ টি উন্নত জাতের ছাগল দেওয়া হয়। শুধু ছাগলই নয়, এগুলোর সুষ্ঠু লালন-পালনের জন্য প্রদান করা হয়েছে ছাগল পালনের উপযোগী বিশেষ গৃহ নির্মাণ সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য খামারি সরঞ্জাম।
সরকারের এই উদ্যোগ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা: জান্নাতুল ফেরদৌস তার বক্তব্যে বলেন, পিছিয়ে পড়া মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে অংশীদার হতে পারা আমাদের জন্য বড় সাফল্য। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা কেবল উপকরণ দিচ্ছি না, বরং একটি পরিবারের আয়ের পথ তৈরি করে দিচ্ছি। উন্নয়নের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :