এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা, কে কোন আসনে
অর্থনীতির চাপে আমেরিকানরা, আশাবাদী বার্তা দিচ্ছেন ট্রাম্প
রাজশাহীর দুর্গাপুরের দুই ইউনিয়ন গ্রাম আদালত পরিদর্শন
দুর্গাপুরে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপনে ‘অদম্য নারীদের’ সম্মাননা প্রদান
দুর্গাপুরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত
টাঙ্গাইলে নিরাপত্তার অভাবে ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বাউল গানের অনুষ্ঠান বাতিল
খালেদা জিয়ার এক রোগ নিয়ন্ত্রণে এলে বাড়ছে আরেকটি, লিভার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কিডনি নিয়ে উদ্বেগ
ডাকসু ভবন ও তিন হলের প্রবেশপথে মাটিতে পাকিস্তান-ভারতের পতাকা
ট্রাম্পকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে একগুচ্ছ চুক্তি করল ভারত
বেগম জিয়াকে লন্ডন নেয়া হবে কি না সিদ্ধান্ত রাতে

উৎসবমুখর পরিবেশে ৩৫ বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। সকাল থেকেই ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবের আমেজ, কড়া নিরাপত্তা আর প্রশাসনের তৎপরতায় ভোট চলছে শান্তিপূর্ণভাবে। তবে এই শান্ত পরিবেশে বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে হঠাৎ সৃষ্টি হয় বিতর্কের।
বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট এলাকায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমানকে বসে থাকতে দেখা যায়। শিক্ষার্থী ও প্রার্থীদের অনেকে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, “প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কীভাবে একজন বহিরাগত নেতা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেন, সেটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য উদ্বেগজনক।”
অন্যদিকে শিবিরপন্থি এজিএস প্রার্থী সালমান সাব্বির অভিযোগ করেন, “ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কয়েকদিন ধরেই ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন, যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।”
নির্বাচন কমিশন জানায়, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনকে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঁচজন করে সদস্য আনার অনুমতি দেওয়া হলেও তাদের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
উৎসব, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নিরাপত্তার সমন্বয়ে রাবি ক্যাম্পাসে রাকসু নির্বাচন এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। তবে বহিরাগত উপস্থিতি নিয়ে ওঠা বিতর্ক নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে শিক্ষাঙ্গনে।
আপনার মতামত লিখুন :