দুর্গাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সিসি উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক লায়লা নুর তানজু
তানোরে যৌথ অভিযানে ফেন্সিডিলের বড় চালান উদ্ধার, মোটরসাইকেল ফেলে পালাল পাচারকারী
দুর্গাপুরে বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতা গ্রেফতার
রাজশাহীতে লঙ্কাবাংলা ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ: মানবিক সহায়তায় অনন্য উদ্যোগ
চারঘাটে মোস্তফা শেখ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরহাদ ঢাকায় গ্রেপ্তার
সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও ঐক্যই সংগঠনের শক্তি: রাজশাহীতে আলমগীর গনি
পায়ুপথে ইয়াবা পাচারকালে আন্তঃজেলা মাদক কারবারি র্যাবের হাতে গ্রেফতার
পুঠিয়ায় র্যাবের চেকপোস্ট: ১৩ হাজার কেজি লবণের নিচে মিলল ১২৬ কেজি গাঁজা, ট্রাকসহ গ্রেফতার ১
রাজশাহীতে ‘সোনালী অতীত’ হকি টুর্নামেন্টে সাবেক খেলোয়াড়দের মিলনমেলা
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণা: রাজশাহী ও নওগাঁর ৬ জন গ্রেপ্তার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : চলতি মে মাসের জন্য ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ১৯ টাকা কমিয়ে ১,৪৩১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।
বিইআরসি জানায়, কেজি প্রতি এলপিজি গ্যাসের দাম ১.৫৭ টাকা কমিয়ে ১১৯.২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৫.৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত অন্যান্য সিলিন্ডারগুলোর দামও কমানো হবে অনুপাতে।
এদিকে, অটোগ্যাস বা যানবাহনে ব্যবহৃত এলপিজির দামও কিছুটা কমানো হয়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার অটোগ্যাস বিক্রি হবে ৬৫.৫৭ টাকায় (ভ্যাটসহ), যা আগের মাসে ছিল ৬৬.৪১ টাকা। অর্থাৎ লিটার প্রতি দাম কমেছে ৮৪ পয়সা।
তবে ব্যতিক্রম হিসেবে রয়ে গেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এলপি গ্যাস কোম্পানির এলপিজি। এই কোম্পানি বাজারজাতকৃত ১২.৫ কেজি সিলিন্ডারের দাম মে মাসে বাড়ানো হয়েছে। এখন এই সিলিন্ডারটি বিক্রি হবে ৮২৫ টাকায়, যা ছিল গত মাসে ৬৯০ টাকা। অর্থাৎ দাম বেড়েছে ১৩৫ টাকা।
নতুন নির্ধারিত এই মূল্যসমূহ আজ ৪ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি।
মূল্য হ্রাসের পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দরপতনের প্রভাব পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতি মাসেই সৌদি আরব ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আরামকোর মূল্য নির্দেশক (Contract Price বা CP) অনুযায়ী বাংলাদেশে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। মে মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম কিছুটা কমেছে, যার প্রতিফলন দেখা গেছে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও।
এ প্রসঙ্গে বিইআরসির একজন কর্মকর্তা বলেন, “ভোক্তা পর্যায়ে যাতে নির্ধারিত দাম কার্যকর হয়, সে বিষয়ে মনিটরিং জোরদার করা হবে। কোনো ডিলার বা পরিবেশক অতিরিক্ত দাম নিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
দেশে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এলপিজি সরবরাহ করে থাকে। তবে বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি খাত। ফলে বেসরকারি এলপিজির দাম ওঠানামা করলে তা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলে।
অন্যদিকে, রান্নার খরচ কিছুটা হলেও কমে আসায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ভোক্তারা। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয়েছে।
এই দাম হ্রাসের ফলে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। একইসঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেছেন, আগামীতে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম আরও কমলে, দেশে তা দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
আপনার মতামত লিখুন :