ট্রাম্পকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে একগুচ্ছ চুক্তি করল ভারত
বেগম জিয়াকে লন্ডন নেয়া হবে কি না সিদ্ধান্ত রাতে
রাজশাহীর দুর্গাপুরে আলেম সমাজকে নিয়ে জামায়াতের উলামা সমাবেশ অনুষ্ঠিত
বিভ্রান্তিকর যোগদানের সংবাদের প্রতিবাদে পানছড়িতে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন
ঢাকায় ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প
রাজশাহীতে সাংবাদিক জাহিদের দাদির ইন্তেকাল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার গভীর শোক
ভারতের সঙ্গে সামরিক চুক্তি রাশিয়ার সংসদে অনুমোদিত
প্রবাসীদের ৬০ দিন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই ফোন ব্যবহারের অনুমতি
জাতি আগামী নির্বাচন নিয়ে গর্ব করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস
হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্টকে কারাগার থেকে মুক্তি দিলেন ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের প্রধান দাবি—শিশু আছিয়ার ধর্ষকের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন এবং ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপত্তা জোরদার করা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বারবার নিরাপত্তাহীনতার ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নেমেছেন। বর্তমানে ম্যানেজমেন্ট, এগ্রনোমি অ্যান্ড এগ্রিকালচার, উদ্ভিদবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য, নৃবিজ্ঞান, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনসুরেন্স, আরবি এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করছেন।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার হাসান বলেন, “একজন নিষ্পাপ শিশু এমন নির্মমতার শিকার হবে, এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা চাই, ধর্ষকের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হোক। প্রশাসন নিশ্চুপ থাকলে আমাদের আন্দোলন আরও তীব্র হবে।”
ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা তাসনিম বলেন, “শুধু নারী নয়, এবার তো একটি শিশু এমন ভয়াবহ ঘটনার শিকার হয়েছে। আমরা চাই, এই ঘটনার এমন দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয়।”
এগ্রনোমি অ্যান্ড এগ্রিকালচার বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, “শিশু আছিয়ার মতো একটি নিরপরাধ প্রাণ এমন বর্বরতার শিকার হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই—যতদিন পর্যন্ত দোষীদের বিচার না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে।”
উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়া হোসেন বলেন, “শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, আমরা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চাই। প্রশাসন যদি শিশু আছিয়ার ধর্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে। আমাদের একটাই দাবি—অপরাধীকে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে।”
শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে তারা আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আপনার মতামত লিখুন :