দুর্গাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সিসি উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক লায়লা নুর তানজু
তানোরে যৌথ অভিযানে ফেন্সিডিলের বড় চালান উদ্ধার, মোটরসাইকেল ফেলে পালাল পাচারকারী
দুর্গাপুরে বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতা গ্রেফতার
রাজশাহীতে লঙ্কাবাংলা ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ: মানবিক সহায়তায় অনন্য উদ্যোগ
চারঘাটে মোস্তফা শেখ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরহাদ ঢাকায় গ্রেপ্তার
সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও ঐক্যই সংগঠনের শক্তি: রাজশাহীতে আলমগীর গনি
পায়ুপথে ইয়াবা পাচারকালে আন্তঃজেলা মাদক কারবারি র্যাবের হাতে গ্রেফতার
পুঠিয়ায় র্যাবের চেকপোস্ট: ১৩ হাজার কেজি লবণের নিচে মিলল ১২৬ কেজি গাঁজা, ট্রাকসহ গ্রেফতার ১
রাজশাহীতে ‘সোনালী অতীত’ হকি টুর্নামেন্টে সাবেক খেলোয়াড়দের মিলনমেলা
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণা: রাজশাহী ও নওগাঁর ৬ জন গ্রেপ্তার

মো. মানিক হোসেন : রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন তালাইমারী এলাকায় এক দুঃসাহসিক ডাকাতি লুটপাট ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। সন্ত্রাসী কায়দায় অস্ত্রধারীরা বাড়িতে ঢুকে লুটপাট, ভাঙচুর ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, ডাকাতির চেষ্টাকালে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে দুইজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তালাইমারী কাঁচা বাজার সংলগ্ন একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদল লোক ওই বাড়িতে ঢুকে লুটপাটের চেষ্টা চালায়। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে এবং তাদের প্রতিরোধ করে। একপর্যায়ে মো. তাহামিদ ইসলাম (২৬) নামে একজনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি নগরীর সাগর পাড়ার বাসিন্দা মো. তৌফিকুল ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় আরও দুইজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে, যাদের মধ্যে একজন উম্মে হানী শিলা, যিনি বিনোদপুরের আবু সাহাদাৎ সায়েমের স্ত্রী।
ভুক্তভোগী মো. এজাজুল হক (৬৯) থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে আলুপট্টি এলাকার মো. সালাউদ্দিন রাজুর নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা নিজেদের নিরাপত্তা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে বাসার সবাইকে বাইরে আসতে বলে। এরপর সাগরপাড়া এলাকার তৌফিকুল ইসলামের সন্তান তাহামিদ ইসলাম ও বিনোদপুর বাজার এলাকার হাসান আলীর সন্তান মিলনসহ আরও কয়েকজন বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে আঘাত করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তাহামিদ ইসলাম এজাজুল হকের চোখে ঘুষি মারেন এবং মিলন এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। তাঁর ভাই এনামুল হক (৭০) ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বোন মাসুদা খাতুন (৫৫)-এর ওপরও হামলা চালানো হয়।
এছাড়া অভিযুক্তরা পরিবারের তিনজন নারীর প্রতি অনভিপ্রেত আচরণ করার চেষ্টা করেন এবং তিন বছরের এক শিশুকে ভয় দেখানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা আলমারি ভেঙে ১৯ ভরি স্বর্ণ, ৯ লক্ষ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের সহায়তায় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। আহত ভুক্তভোগী ও তাঁর ভাইকে চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মালেক জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আটক দুইজনকে পুলিশ হেফাজতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :