জমি বিক্রিতে মূল্য গোপন, রাজস্ব ফাঁকি ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ
বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি গাজীপুর এর ঈদ পূর্ণমিলনী ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
মাড়িয়ায় নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উন্নয়নে ইসলামী জলসা: শিল্পপতি সাকলায়েনের অনুদান
গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক যাত্রাবিরতি, নববর্ষে জনসমুদ্রের উচ্ছ্বাসে উষ্ণ অভ্যর্থনা
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে কৃষক দলের নেতার সংবাদ সম্মেলন
পূর্ব শত্রুতার জেরে দুর্গাপুরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরের ৪৭নং ওয়ার্ডে ওরিয়েন্ট ক্লাবের উদ্যোগে মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়
সারের কৃত্রিম সংকট ও অনিয়ম রোধে কৃষি কর্মকর্তার কঠোর হুঁশিয়ারি
প্রসূতি মায়েদের জন্য সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলিং সেবা চালু করল সিএমএইচআর
‘তারেক রহমানের কাছে আন্দোলনের ট্রফি দিয়ে নির্বাচনের তারিখ এনেছেন ড. ইউনূস’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কোনো কারণ নেই।
তিনি আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মিডিয়া ব্রিফিংকালে বলেন, ‘নতুন কোন নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। কারণ এটি অন্য একটি দেশের উপর নির্ভর করে।
যদি কোনো নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তবে তা হবে দুর্ভাগ্যজনক। আমরা আশা করি শুভ বুদ্ধির জয়।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাতার সফর নিয়ে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি দৈনিক পত্রিকার মিডিয়া প্রতিবেদনের একটি অংশকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ আখ্যায়িত করে এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলে, এটি একটি ‘উত্তেজনামূলক উদ্দেশ্য’ নিয়ে করা হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি কখনো চীনা ফার্মে লবিস্ট হিসেবে কাজ করেননি। বরং তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন এবং সেখানে কাজ করেছেন।
মিডিয়া রিপোর্টটিকে অদ্ভুত হিসেবে আখ্যায়িত করে মন্ত্রী বলেন, ‘এটি খুবই অদ্ভুত ও আশ্চর্যজনক ছিল। এতে কোনো তথ্যসূত্র (উৎস) উল্লেখ করা হয়নি।’
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আসছে, সরকার প্রস্তুত রয়েছে’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে রোববার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের মানহানি হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, ড. মোমেন মন্ত্রী হওয়ার আগে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের লবিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’
এ কে আব্দুল মোমেনের নামে এ ধরনের মিথ্যাচারের মাধ্যমে তার মানহানির পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আপনার মতামত লিখুন :