দুর্গাপুরে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ সিসি উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক লায়লা নুর তানজু
তানোরে যৌথ অভিযানে ফেন্সিডিলের বড় চালান উদ্ধার, মোটরসাইকেল ফেলে পালাল পাচারকারী
দুর্গাপুরে বিস্ফোরক মামলায় আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতা গ্রেফতার
রাজশাহীতে লঙ্কাবাংলা ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ: মানবিক সহায়তায় অনন্য উদ্যোগ
চারঘাটে মোস্তফা শেখ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফরহাদ ঢাকায় গ্রেপ্তার
সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও ঐক্যই সংগঠনের শক্তি: রাজশাহীতে আলমগীর গনি
পায়ুপথে ইয়াবা পাচারকালে আন্তঃজেলা মাদক কারবারি র্যাবের হাতে গ্রেফতার
পুঠিয়ায় র্যাবের চেকপোস্ট: ১৩ হাজার কেজি লবণের নিচে মিলল ১২৬ কেজি গাঁজা, ট্রাকসহ গ্রেফতার ১
রাজশাহীতে ‘সোনালী অতীত’ হকি টুর্নামেন্টে সাবেক খেলোয়াড়দের মিলনমেলা
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণা: রাজশাহী ও নওগাঁর ৬ জন গ্রেপ্তার

শহিদুল ইসলাম, সিলেট প্রতিনিধি:
গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে কোলকাতা শহরে বৌদ্ধ ধর্মাঙ্কুর সভায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে ‘শতবর্ষে বিদ্রোহী’ শীর্ষক একটি আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে ছায়ানট, কোলকাতা, ভারত।
সোমঋতা মল্লিকের পরিকল্পনা ও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে বাংলাদেশ থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের প্রতিষ্ঠিতা প্রধান ও সম্প্রীতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব, প্রখ্যাত লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল এবং বিশ্ব কবি মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি পুলক কান্তি ধর।
অনুষ্ঠানটিতে অধ্যাপক ডা. স্বপ্নীলের হাতে বিশেষ সন্মাননা স্মারক তুলে দেন আসামের নজরুল গবেষক ড. রেজাউল করিম ও পশ্চিমবঙ্গের নজরুল গবেষক শেখ মকবুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধ্যাপক স্বপ্নীল বলেন, জীবদ্দশায় শেষ তিন দশকেরও বেশি সময় দুর্বিসহ যন্ত্রনার মধ্যে দিয়ে কাটালেও বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষে এসে বিদ্রোহী কবি এখন ভালোই আছেন। তার বাঙ্গালীর রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মধ্যে দিয়ে। তিনি এখন বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
তাকে নিয়ে গবেষনা করার জন্য বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নজরুল ইনষ্টিটিউট এবং ত্রিশালে তার নামে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে।
বাঙ্গালীর বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিক উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান। কিন্তু তারপরও বাস্তবতা এই যে, সবার জন্য একটি অসাম্প্রদায়িক, সাম্যের বাতায়ন তৈরি করার ক্ষেত্রে এখনও অনেকখানি কাজ করা বাকি।
নজরুলের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমরা যদি বাঙালীয়ানার চর্চা করতে পারি আর ধর্মের উর্ধ্বে উঠে অখন্ড বাঙ্গালী জাতি সত্তার চেতনাকে লালন করতে পারি শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষে এসে আমাদের আজকের যতটুকু অপূর্ণতা তা দুর করে আমরা বাঙ্গালীর জন্য নজরুলের স্বপ্নের বাসভূমি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।
আপনার মতামত লিখুন :