শুক্রবার, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

শাকিব অনুমতি দিলে ঈদে দেখা মিলবে অপুর

শাকিব অনুমতি দিলে ঈদে দেখা মিলবে অপুর
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময় :

বাংলাদেশে একটা সময় ছিলো যখন ঈদের ছবি মানেই ছিলো শাকিব-অপুর চলচ্চিত্র। গত দুই তিন বছরে অবশ্য পরিস্থিতি পরিবর্তন হয়েছে। পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কারণে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস আর এখন একসাথে কাজ করেন না। তাই তাঁদের ছবি দেখা থেকেও বঞ্চিত দর্শক। তবে এবার ব্যতিক্রম হতে পারে, যদি শাকিব খান চান।

দুই বছর আগে শুট করা ‘পাংকু জামাই’ ছবিতে কাজ করেছিলেন শাকিব ও অপু। ছবির কিছু অংশ বাকি ছিলো। সেটা সময় দিয়ে করে দিয়েছেন অপু বিশ্বাস। ছবিটি এখন ঈদে মুক্তি দেয়ার জন্য প্রস্তুত বলেই জানিয়েছেন পরিচালক আবদুল মান্নান। তবে ছবিটি মুক্তি দেয়া হবে কি না তা নির্ভর করছে শাকিব খানের মর্জির ওপর। এমনটাই জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক মোজাম্মেল হোসেন সরকার।

মোজাম্মেল হোসেন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, “এই ছবিটি নিয়ে আমরা অনেক দিন ধরেই ঝুলে রয়েছি। ‘পাংকু জামাই’ ছবিটির পর ছবি শুরু করে তা মুক্তিও দিয়ে দিয়েছি, কিন্তু এই ছবিটি এখনও মুক্তি দিতে পারিনি। আগামী ঈদে ছবিটি যদি মুক্তি দিতে পারি তা হলে হয়তো কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবো।”

ঈদে মুক্তি দিতে সমস্যা কী, জানতে চাইলে মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমি তো ছবিটি ঈদে মুক্তি দেবার আশায় বসে আছি। কিন্তু আমাদের ছবির নায়ক শাকিব খান যদি অনুমতি না দেন তা হলে ছবিটি মুক্তি দিবো না। এখন উনার অনুমতির অপেক্ষায় আছি। কারণ ঈদে সবসময় দর্শক নতুন ও ভালো ছবি দেখতে চায়, আমার এই ছবিটি দর্শক পছন্দ করবেন বলে আমি আশা করি। কিন্তু ঈদের ছবিতে শাকিব খানের ক্যারিয়ারের বিষয়। যে কারণে উনার অনুমতি না পেলে ছবিটি মুক্তি দেবো না।’

এই বিষয়ে কি শাকিব খানের সাথে কথা হয়েছে, জানতে চাইলে প্রযোজক বলেন, ‘আমি উনাকে জানিয়েছি। কিন্তু তিনি এখনও কিছু বলেন নি, এখন তিনি কলকাতায় আছেন, দেশে ফিরলে আবারও কথা বলবো। আশা করি তিনি অনুমতি দেবেন।’

২০১৬ সালে ছবির শুটিং চলাকালে হঠাৎই ‘নিখোঁজ’ হন অপু বিশ্বাস। পুরো এক বছর পর আবার তিনি ফিরে আসেন, ছেলে জয়কে নিয়ে। অবশ্য পরে ‘পাংকু জামাই ছবির শুটিং শেষ করে দেন তিনি। ছবিতে শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ছাড়াও অভিনয় করেছিলেন পুষ্পিতা পপি, এ টি এম শামসুজ্জামান প্রমুখ।

Copyright © 2022 Star News Agency. All rights reserved.